ট্রেনের টিকিট মিলছে এসএমএসে

আইটি প্রতিবেদকঃ

ঈদ উপলক্ষে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে বুধবার। ভিড় ঠেলে অনেকেই পাচ্ছেন কাঙ্খিত টিকিট। আবার অনেকেই দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর টিকিটের টিকিটিও দেখা পাচ্ছেন না। বুধবার দেওয়া হয়েছে ১ জুলাইয়ের অগ্রিম টিকিট। এছাড়াও বৃহস্পিতিবার দেওয়া হচ্ছে ২ জুলাইয়ের।

তবে অনেকেই সেই লাইনে না দাঁড়িয়েও পাচ্ছেন টিকিটের দেখা। কেটে নিচ্ছেন ঝটপট। আর অপেক্ষা করছের স্বজনদের সঙ্গে ঈদ কাটানোর।

দেশের দুটি মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন ও বাংলালিংক দিচ্ছে এসএমএসর মাধ্যমে ট্রেনের টিকিট। একটি এসএমএসে টিকিট নিশ্চিত করলে আরেকটি ফিরতি এসএমএসে একটি কোড দেওয়া হবে। স্টেশনে গিয়ে নির্দিষ্ট কাউন্টারে সেই কোড বললে পাওয়া যাবে টিকিটের প্রিন্ট কপি।
Train ticket-techshohor

তবে এর জন্য প্রয়োজন হবে ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ২০ টাকা। যা চার্জ হিসেবে টিকিটের দামের সঙ্গে যোগ হবে।

খুব সহজ এই পদ্ধতি নিচে দেওয়া হলো

গ্রামীণফোন বা বাংলালিংক মোবাইল নম্বর থেকে প্রথমে একটি নিবন্ধন করতে হবে। এজন্য ইংরেজিতে ‘TKET’ লিখে ‘1200’ নম্বরে এসএমএস করতে হবে। এরপর গ্রাহক তার ফোনে চার সংখ্যার একটি পিন নম্বর পাবেন। পরে যেকোনো সময় টিকিট কিনতে ওই পিন নম্বর ব্যবহার করতে হবে।

দুটি প্রক্রিয়ায় টিকিট কেনা যাবে। একটি বুকিং পদ্ধতি, আরেকটি সরাসরি টিকিট কেনা।

বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটেও মোবাইলে টিকিট কেনার প্রক্রিয়া বর্ণনা করা আছে। সেখানে দেওয়া আছে, টিকিট কেনার আগে গ্রাহককে তাঁর অপারেটরে টিকিট কেনার মতো পর্যাপ্ত টাকা রাখতে হবে। এরপর ১২টি সহজ ধাপে টিকিট কেনার প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে।

প্রথম ধাপে *131# ডায়াল করতে হবে। পরে ধারাবাহিকভাবে পরের ধাপের বিকল্পগুলো আসবে। সেগুলো একটার পর একটা বেছে নিতে হবে।

দ্বিতীয় ধাপে অপশনে ‘বুক ট্রেন টিকিট’, ‘পারচেজ ট্রেন টিকিট আফটার বুকিং’ ও ‘পারচেজ ট্রেন টিকিট’–এর যেকোনো একটি বেছে নিতে হবে।

তৃতীয় ধাপে গ্রাহকের পিন নম্বর লিখতে হবে। এর পরের ধাপগুলোতে গ্রাহককে যাত্রার তারিখ, যাত্রা শুরুর নির্ধারিত স্টেশন, গন্তব্য স্টেশন, ট্রেনের নাম, টিকিটের আসনের শ্রেণি, যাত্রীসংখ্যা ও তাঁদের বয়স বেছে নিতে হবে।

সবশেষে আসবে নির্ধারিত টিকিটের দাম। সেটি বেছে নেওয়ার পর মোবাইল থেকে সমপরিমাণ টাকা কেটে নেবে অপারেটর। এরপর কোড লেখা একটি এসএমএস আসবে। এসএমএসসহ ওই কোড নম্বরটি রেলস্টেশনের নির্ধারিত কাউন্টারে অথবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নির্ধারিত কাউন্টারে দেখিয়ে টিকিট নেওয়া যাবে।

এই প্রক্রিয়ায় রেলওয়ের মোট টিকিটের ২৫ শতাংশ বিক্রির জন্য নির্ধারিত থাকে বলে রেলওয়ের সাইটে বলা আছে।

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Notify of
avatar
300

wpDiscuz